tahasins.com

ফেসবুকে মার্কেটিং নিয়ে সিরিজ পোস্ট (পর্ব:১)

ফেসবুক মার্কেটিং নিয়ে টিপস। আশা করি কাজের ক্ষেত্রে নিজেরা সেগুলো অনুসরণ করে চলবেন।

মার্কেটিং আর ব্রান্ডিংয়ের সুবিধা অসুবিধা আগে জেনে নেই। মার্কেটিং করেই ব্রান্ডিং করতে হয়।

ব্রান্ডিংয়ের চিন্তা না করে মার্কেটিং করলে কি কি সমস্যাতে পড়বেন, সেটি আগে দেখে নিনঃ

– ১০% ব্যক্তি আপনার প্রোডাক্ট কিনলেও অন্যরা আপনার ব্রান্ডটি দেখলেই আতংকের চোখে দেখবে। ঠিক যেমনটি আমরা ইন্সুরেন্সের লোক দেখলেই ১০০হাত দূরে থাকি। সবসময় মার্কেটিং করাকে আমি ইভটিজিংয়ের সাথে তুলনা করি। সম্ভাব্য ক্লায়েন্টের সাথে ইভিটিজিং না প্রেমের সম্পর্ক (অবশ্যই পবিত্র প্রেমের সম্পর্ক) গড়ে তুলুন।

– মার্কেটিং যারা করেন, তাদের জন্য অন্য আরেকটা সমস্যা হচ্ছে, তারা ১বছর প্রতিষ্ঠান চলার পরও তাদেরকে একই পরিমান পরিশ্রম করতে হয়। এবং তাদের মুনাফার গ্রাফটা উর্ধ্বমুখী হয়না। যারা মার্কেটিংয়ের পাশাপাশি ব্রান্ডিংয়ের দিকে নজর দেয়, তাদেরকে মাস খানিক যাওয়ার পর পরিশ্রম কমে যায়, কিন্তু মুনাফার গ্রাফটা উর্ধ্বমূখী হয়ে যায়। অর্থাৎ ১বছর আগে যে পরিমান পরিশ্রম করে যেটুকু মুনাফা পেয়েছেন, ১বছর পরে তার চাইতে কম পরিশ্রম করে ১বছর আগের মুনাফার চাইতে অনেক গুণ বেশি প্রফিট হতে থাকে।

এবার পার্থক্য জেনে নেই, মার্কেটিং বনাম ব্রান্ডিং:

পার্থক্য-১:

বাংলাদেশের ৯০% প্রতিষ্ঠান, তাদের পণ্যের কিংবা সেবার প্রচারের জন্য মার্কেটিং করে। হুমম, যেটা অনলাইনে সবসময় দেখেন সেটা হচ্ছে মার্কেটিং। অর্থাৎ যারা সকল পোস্টেই তাদের পণ্য কেনার জন্য উৎসাহ দেখিয়ে পোস্ট করে, সেটাই মার্কেটিং। আবার অনেকে পন্য বিক্রি আহবান ছাড়াও অন্য অনেক কিছু নিয়ে পোস্ট করে, যেমনঃ হতে পারে, পণ্য উৎপাদনের পিছনের গল্প নিয়ে পোস্ট করে, যেমনটি করে থাকে জামদানী ভিলে। জামদানী ভিলে জামদানী শাড়ির কারিগরদের নিয়েও পোস্ট করে। এটাই হচ্ছে ব্রান্ডিং।

পার্থক্য-২:

মার্কেটিং পোস্টের ধরনঃ ২১শে ফেব্রুয়ারী উপলক্ষে বিশেষ ড্রেসটির মূল্য: ১৪০০টাকা পেতে ফোন করুনঃ xxxxxxxx
ব্রান্ডিং পোস্টের ধরনঃ ২১শে ফেব্রুয়ারীতে শাড়ির পাশাপাশি ড্রেসও কিনে থাকে আধুনিক ফ্যাশন প্রেমিরা। গরমে প্রশান্তিও রয়েছে, ফ্যাশনেও ঘাটতি হবেনা। গত দুইবছর ধরে ২১শে ফেব্রুয়ারীতে বিক্রির ফলাফল দেখলে জানা যায়, ৮০% মেয়েরা এ দিনে শাড়িকে বাদ দিয়ে ড্রেস কিনছে।

২১শে ফেব্রুয়ারী উপলক্ষ্যে বিশেষ ড্রেস কালেকশন আমাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে পারেন। বিশেষ ড্রেসটির মূল্য: ১,৪০০টাকা পেতে ফোন করুনঃ xxxxxxxx দুটি পোস্টের ধরনেই পার্থক্যটা বুঝে নিন।

আরও অনেক পার্থক্য রয়েছে। বিস্তারিত আলোচনা করলে ঘুমিয়ে পড়বেন। তাই আর বাড়িয়ে বোরিং করলাম না। ব্রান্ডিং মানে ট্রাস্ট অর্জন। ব্রান্ডিং মানে সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন। সেলসম্যানের আচরণ করে এ গ্রহনযোগ্যতা অর্জন সম্ভব নয়। ব্রান্ডিং করার জন্য অনলাইনে ভ্যালু ক্রিয়েট করতে হবে। অনলাইনে কিভাবে ভ্যালু ক্রিয়েট করবেন, সেই বিষয়ে পরের পর্বে আলোচনা করবো। তার আগে যারা অনলাইন মার্কেটিংয়ের সাথে জড়িত তারা সিদ্ধান্ত নিন, আপনি কি আপনার প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং করতে আগ্রহী নাকি ব্রান্ডিং করতে আগ্রহী?

পরের পর্ব পোস্ট করবো কিনা সেটা আপনাদের কমেন্ট এবং শেয়ার দেখে সিদ্ধান্ত নিবো।
If You have Any question Follow Me on Facebook

Or You Can Check Out My FacebookPage

Tahasin Chowdhury

I’m a digital strategist, and I believe that unique businesses deserve unique strategies to succeed online… and I love coming up with ideas to match your ambition.

Tahasin Chowdhury

Tahasin Chowdhury

I’m a digital strategist, and I believe that unique businesses deserve unique strategies to succeed online… and I love coming up with ideas to match your ambition.

3 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *