এসইও কি? এর জন্য কি কি শিখবেন? সঠিক গাইডলাইনের জন্য পড়ুন।

এসইও বিষয়টা কি, কিভাবে করতে হয়, কিভাবে করলে বিষয়টা স্পামিং হয়, সব একসাথে উল্লেখ করার চেষ্টা করেছি। সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতার আলোকে লিখার চেষ্টা করেছি। এসইও জ্ঞান থাকার কারণেই ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে পারছি, লোকাল ব্যবসাতে সফল হতেও এসইও জ্ঞান ছাড়া কল্পনা করতে পারিনা।  সবকিছুতেই এসইও লাগে। জীবনের চলার পথেও এসইও লাগে।

এসইও যখন শিখবেন, কি কি শিখবেন বিষয়টাকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়:

পুরো বিষয়টাকে বুঝানোর সুবিধার্থে লোকাল যেকোন ব্যবসার সাথে তুলনা করে ব্যাখ্যা করি, তাহলে নতুনদের বুঝতে সুবিধা হবে। কারণ এসইওর কাজইতো হচ্ছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করা।

১) ১ম ধাপ, কীওয়ার্ড রিসার্চ:

আপনার ব্যবসার সুবিধার জন্য কোন কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করবেন, সেটি সঠিকভাবে বাছাই করতে না পারলে পুরো ব্যবসাটাই লস।

উদাহরণ: আপনি লোকাল ভাবে ফ্যাশন সম্পর্কিত ব্যবসা করবেন। কোন জায়গাতে দোকান কিনলে ভাল হবে, দোকানে কোন ধরনের ড্রেস উঠালে সেই জায়গাতে ভাল বিক্রি করা যাবে, বর্তমানে কোন শব্দ ব্যবহার করলে ক্রেতাদের কাছে বেশি আগ্রহ জন্মাবে, সেই বিষয়গুলো সঠিকভাবে আগে রিসার্চ করে খুজে বের করতে হয়। পাখি ড্রেস, এ পাখি শব্দটার জন্য ড্রেসটার বিক্রি কি পরিমাণ হয়েছে সবাই জানেন। এই যে পাখি ড্রেস নাম দিলে মানুষজন বেশি খাবে, সেটি খুজে বের করাকেও এসইওর ভাষাতে কীওয়ার্ড রিসার্চ বলে।

২) ২য় ধাপ, অনপেইজ এসইও:

কীওয়ার্ড বাছাই করার পর সঠিক এবং উপযুক্ত কীওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটের পুরো গঠন ঠিক করা হয়। গঠনের মধ্যে রয়েছে: কনটেন্ট, হাইলাইট জায়গাগুলোতে কীওয়ার্ড ব্যবহার, ইত্যাদি।

উদাহরণ: লোকাল ফ্যাশন সম্পর্কিত ব্যবসার আইডিয়া পরিকল্পনা করলেন ১ম ধাপে। এবার দ্বিতীয় ধাপে ১ম ধাপের উপর ভিত্তি করে দোকানটাকে সাজানো শুরু। ১ম ধাপের গবেষনার উপর ভিত্তি করে নাম ঠিক করা, ডেকোরেশন সাজানো সব করতে হবে। যদি ১ম ধাপের গবেষণাতে বের হয়, মেয়েদের ওয়েস্টার্ণ ড্রেস বেশি বিক্রি হবে, তাহলে ডেকোরেশনে ওয়েষ্টার্ণ লুকটা নিয়ে আসতে হবে, তাহলে গ্রহনযোগ্যতা বাড়বে। ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়বে। এরকমভাবে দোকান সাজানোটা তখন অনেক জরুরী কাজ হয়ে দাড়ায়।
উপরের দুটি ধাপ এককালীন কাজ। একবার হয়ে গেলে আর করা লাগেনা।
শেষ ধাপ, যা যতদিন ব্যবসা থাকবে ততদিন চালিয়ে যেতে হবে।

৩) শেষ ধাপ: অফপেজ এসইও বা মার্কেটিং:

কীওয়ার্ড রিসার্চ শেষ, সেই অনুযায়ি ওয়েবসাইটকেও গুছানো শেষ। তাতেই এসইওর কাজ শেষ হয়ে যায়নি। এবার শুরু আসল কাজ। সারাজীবন এ কাজটি করে যেতে হবে। এ কাজটিতে সফলতার উপরই সব সফলতা নির্ভর করছে। আর সেটা হচ্ছে অফপেজ এসইও। যেসব জায়গাগুলোতে মানুষ জনের অবস্থান বেশি, সেসব জায়গাতে গিয়ে পরিবেশের সাথে মানানসইভাবে আপনার বক্তব্য উপস্থাপনকেই অফপেইজ এসইও বলে। সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগিং, ফোরাম পোস্টিং, ভিডিও মার্কেটিং, ব্লগ কমেন্টিংয়ের মাধ্যমে আপনার বক্তব্যকে মানুষের সামনে আকর্ষনীয় উপস্থাপন করতে হয়।

উদাহরণ: খুব সুন্দর ভাবে দোকান গুছানো শেষ করলেন দ্বিতীয় ধাপে। অনেক দামি ডেকারেশন করলেন। এবার এভাবে ফেলে রাখলেই ভাল কাস্টমার পাবেননা। কিছু পেতে পারেন, মার্কেটের নিয়মিত কিছু কাস্টমারকে। কিন্তু বেশি ভাল পরিমান লাভজন হওয়ার জন্য লিফলেট, পোস্টার, পত্রিকাতে বিজ্ঞাপন, টিভিতে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। যে যত আকর্ষনীয়ভাবে যত বেশি বিজ্ঞাপন চালাতে পারে, তার বিক্রি তত বেশি হয়।

আমাদের দেশে এসইও নতুন যারা শিখছে, তারা ভাবছে ১ম দুটি ধাপ শিখতে পারলেই বিশাল কিছু করার স্বপ্ন দেখা শুরু করে। কিন্তু সারাজীবন যেই মার্কেটিংটা করতে হবে, সেটির জন্য যে ক্রিয়েটিভিটি, প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে, মূল খেলাটা এখানেই হবে, সেটিকে খুব বেশি জোর করে শিখছেনা। হুমম, ১ম দুটি ধাপ ঠিক না থাকলে যতই মার্কেটিং করুক ফলাফল খুব বেশি পাওয়া সম্ভবনা, সেটা সবসময়ই মানতে হবে। এমনকি মার্কেটিংয়ের জন্য এবং ২য় ধাপের জন্য কীওয়ার্ড রিসার্চ না করলেতো কি নিয়ে কাজ করবেন, সেটি খুজে পাবেননা। সেজন্য সেটা খুজে বের করাটা জরুরী। কিন্তু দিনশেষে মূল টার্গেটেড ফলাফলটাই বের হবে মার্কেটিংয়ের কারনে। এবং সারাজীবন এ কাজটি চালিয়ে যেতে হবে।

অফপেইজটা আসলে কি?

লক্ষ্য করুন, অফপেইজ বলতে মার্কেটিং বলেছি। মার্কেটিং বলতে বুঝায় মানুষের কাছে আপনার পণ্যকে কিংবা সেবাকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, চাহিদা তৈরি করা। মার্কেটিং মানে গুগলকে দেখানোর জন্য ফাঁকি দিয়ে কোন জায়গাতে নিজের পণ্যের লিংক দিয়ে আসাকে বুঝায় না। গুগলে দেখানো কিছু ইনস্ট্রাকশন অনুসরণ করতেতো অবশ্যই হবে। তবে সেই ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, গুগল মানুষের মনের উপর, মানুষের চাহিদাকে গবেষণা করে কিছু গাইডলাইন তৈরি করেছে মাত্র। মানুষ কোন ধরনের বিষয়গুলো বেশি পছন্দ করে, কোন ধরনের বিষয়গুলো মানুষ বিরক্ত হয়, সেই বিষয়গুলোর একটা গাইড তৈরি করেছে, যাকে গুগলে অ্যালগরিদম বলা হয়। কিন্তু যেটা দেখা যাচ্ছে সেই অ্যালগারিদমটা গুগল তৈরি করেছে মানুষের চাহিদা, বিরক্তকে তৈরি করে। এবং আরো গবেষণা করে নিয়মিত গুগল তাদের অ্যালগারিদম আপডেটও করছে। তার মানে গুগলে মানুষের চাহিদা, পছন্দ , বিরক্তকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। আমাদেরও সেটিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত। আমরা যেটা করছি, গুগলে ফাক ফোকড় গুলোকে ফাকি দিয়ে লিংক দিয়ে আসাকে শিখছি খুব বেশি। যার ফলাফল হচ্ছে, গুগলের পরবর্তী কোন আপডেটে গিয়ে সাইট পেনাল্টী খাচ্ছে।

কি করা উচিত?

সোশ্যাল মিডিয়া, ফোরাম, কিংবা ব্লগ যে জায়গাই বলুন, সবজায়গাতে এমন পোস্ট করতে হবে, যাতে আপনার লিংকে মানুষ ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইটে আসে। আবার ভুয়া কিছু লিংকে ক্লিক করিয়ে ওয়েবসাইটে নিয়ে আসলেই ওয়েবসাইট টপে চলে আসবেনা। ভিজিটর ওয়েবসাইটে এসে যদি বেশি সময় ধরে অবস্থান করে (বাউন্সরেট কমাতে হবে), এক পেজ থেকে আরেক পেজে যাতায়াত করে (ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার), এবং পরবর্তীতে সেই ভিজিটর যদি  আবারও এ ওয়েবসাইটে ঘুরেফিরে আসে (রিটার্ণিং ভিজিটর), তাহলেই গুগল আপনার সাইটকে সার্চের টপে রাখবে।

এবার লক্ষ্য করুন, গুগল মূলত কি দেখে আপনাকে গুগলের টপে নিয়ে এসেছে:

১) কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ (অবশ্যই মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ন) ওয়েবসাইট হতে ভিজিটর আসতেছে

২) ভিজিটর কি পরিমাণে আসতেছে?

৩) ভিজিটরগুলোর আচরণ লক্ষ্য করার চেষ্টা করছে

–   ভিজিটরগুলো ওয়েবসাইটে কতক্ষণ অবস্থান করছে?

–   ভিজিটরগুলো এসেই চলে যাচ্ছে নাকি একপেজ থেকে আরেকপেজে যাতায়াত করছে

–   ভিজিটরগুলো একবার এ সাইটে এসে কি আর সারাজীবনে এ সাইটে না আসার প্রতিজ্ঞা করছে নাকি ঘুরেফিরে নিয়মিত আসছে।

onlinemarketing

এ বিষয়গুলোর উপর ভিত্তি করে গুগল আপনাকে সার্চের টপে নিয়ে আসবে নাকি পিছনে ফেলে দিবে তা ঠিক করে। এবার বিষয়গুলো যা যা বললাম, চোখ বন্ধ করে এবার চিন্তা করুনতো, এসইওর জন্য যা যা করবেন, সেটিকে গুগলের চিন্তা করে করতে হয়, নাকি মানুষের চিন্তা করে করতে হয়। মানুষের জন্য কনটেন্ট ( আর্টিকেল, ইমেজ, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি) তৈরি করবেন, সেই কনটেন্ট দেখে যাতে মানুষ আপনার সাইটে আছে তাহলেই গুগল আপনাকে একটা মার্ক দিবে। এবার আপনার ওয়েবসাইটটাকেও  এমনভাবে সাজাতে হবে, যাতে মানুষ পছন্দ করে, তাদের কাছে বারবার আসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তৈরি করতে হবে। মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এরকম কোন মেসেজ গুগল পেলেই আপনার ওয়েবসাইটকে সার্চের টপে নিয়ে আসতে হবে। আর এটাই হচ্ছে এসইও।

এসইওকে গুগলের জন্য এত করার বিষয়টা এতবেশি সমাজে প্রচলিত হয়ে গেছে, যার জন্য এসইও নিয়ে স্পামিংটা হচ্ছে খুব বেশি। মানুষের জন্য করার চিন্তা করলে সবার ভাবনাতে আসতো মানুষের মধ্যে বিরক্ত তৈরি করে নিজের পণ্যের কিংবা সেবার কিংবা ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনা সম্ভব না। কিংবা আনা গেলেও সে ২য়বার আর আসার চিন্তাও করবেনা।

আসুন এবার দেখি একারণে মার্কেটিংয়ে কি কি ভুল প্রচলিত দেখতে পাচ্ছি:

সবচাইতে বড় ভুল হচ্ছে খুব বেশি প্রোডাক্টকে হাইলাইট করি। আর এ কারণে কোন প্রোডাক্ট মার্কেটিংয়ে ব্যর্থ হই, কোন ব্লগের মার্কেটিংয়েও ভিজিটর আনতে ব্যর্থ হই, অ্যাফিলিয়েশনের ক্ষেত্রেও ভাল ইনকাম করতে পারিনা।

নিজেকে সেলসম্যান হিসেবে প্রস্তুত করে কোন কিছুর মার্কেটিং করা আধুনিক মার্কেটিং পলিসির সাথে যায়না্। আধুনিকযুগের মার্কেটিং পলিসি হচ্ছে যে প্রোডাক্টকে নিয়ে মার্কেটিংয়ের কাজ করবেন, সেই প্রোডাক্ট বিষয়ে নিজেকে এক্সপার্ট হিসেবে সবার কাছে অবস্থান তৈরি করতে হবে। তাহলে একজন এক্সপার্ট হিসেবে আপনার পরামর্শ দেওয়া প্রোডাক্টকেই মানুষ কিনতে আগ্রহী হবে।

 

SEO-Splash

 

খুব বেশি প্রোডাক্টকে হাইলাইট করি এরকম কয়েকটি ঘটনা উল্লেখ করি:

ক) কোম্পানীর নামে ফেসবুক কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া সাইটের প্রোফাইল খুলে কাজ করা হয়। এমনকি ব্লগিং করার সময় প্রোফাইলটাও হয়ে থাকে কোম্পানী কিংবা নিজের প্রোডাক্ট কিংবা নিজের ওয়েবসাইটের নামে। এ কাজটি অত্যন্ত মারাত্নক ভুল।
ব্যক্তির নামে সকল প্রোফাইল খুলবেন। সেই ব্যক্তির পরিচয় হিসেবে কোম্পানী কিংবা ওয়েবসাইটের পরিচয় তুলে ধরবেন।
খ) যে প্রোফাইল থেকে মার্কেটিং করা হয়, সেই প্রোফাইলের সকল পোস্ট হয়ে থাকে মার্কেটিং পোস্ট। এতে আসতে আসতে সেই ব্যক্তির পরিচয় সেলসম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। এর পর যেটা হয়, সবার ভাবনাতে চলে আসে, সেলসম্যানতো তার প্রোডাক্টকে সেরা বলবেই। তাই তার বক্তব্যের গ্রহনযোগ্যতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। সেলসম্যান না এক্সপার্ট এবং অ্যাডভাইজার হিসেবে প্রোফাইলটিকে প্রতিষ্ঠা করবেন।
গ) প্রোডাক্ট সংক্রান্ত পেজটিতে সকল পোস্ট হয়ে থাকে প্রোডাক্ট বিক্রি সংক্রান্ত। সেটা হলে গ্রহণযোগ্যতা কমে যেতে থাকে। প্রোডাক্ট সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতনতামূলক পোস্ট করতে হবে। যেমন: ওজন কমানোর ঔষধ বিক্রির জন্য পেজ হলে সেখানে বেশি পোস্ট হবে, ওজন বৃদ্ধি পেলে কি কি ক্ষতি হয় এ সংক্রান্ত পোস্ট।
ঘ) ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে ব্লগিং বিষয়টি হয় প্রোডাক্ট বিক্রি সংক্রান্ত। ব্লগের পোস্ট হবে অবশ্যই সচেতনতামূলক, পরামর্শমূলক। সেখানে সর্বোচ্চ আপনার পেজের লিংক দিয়ে আসতে পারেন। তাহলে যারা আগ্রহী তারা পেজটিতে লাইক দিতে পারে। এবং তারা কোন একসময়ে প্রোডাক্ট কিনার ব্যপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
ঙ) নিজের গ্রুপের বাইরে অন্যের গ্রুপে গিয়ে নিজের মার্কেটিং পোস্ট করে আসা হয়। যা পুরোপুরি স্পামিং। অন্যের গ্রুপে পোস্ট করতে হলে, সেখানে বিভিন্ন এক্সপার্ট টিপস কিংবা পরামর্শমূলক পোস্ট কিংবা কমেন্ট করে নিজের দিকে আকর্ষণ করতে হবে। তখন মানুষ এমনিতেই আপনার ওয়াল ভিজিট করে জেনে নিবে কি অফার আপনি দিচ্ছেন। এতে অন্যের গ্রুপে স্পামিং করার হাত থেকে বাচা যায় এবং ব্যান খাওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
চ) প্রোফাইল পিকচারে নিজের বাদের অন্য কোন প্রাণী কিংবা ফুলের ছবি ব্যবহার করা হয় । এবং নাম না দিয়ে অদ্ভুত নাম ব্যবহার করে প্রোফাইল খুলা হয়। এরকম অন্য ছবি কিংবা অদ্ভুত নাম দেখলে বিভিন্ন গ্রুপগুলোতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়না। এমনকি বেশিরভাগ মানুষই নিজের ফ্রেন্ডলিস্টে এরকম ব্যক্তিদের দেখতে চায়না। সুতরাং প্রোফাইল পিকচার এবং প্রোফাইল নামের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত হতে হবে।
ছ) ফোরাম পোস্টিং কিংবা ব্লগ কমেন্টিংয়ের ক্ষেত্রে অনেকেই শুরুতেই মার্কেটিং লিংক পোস্ট করে আছে। যা ব্যান খেতে সহযোগীতা করে। ব্যান না খেলেও সেটি পাঠকের গ্রহণযোগ্যতা পায়না। সেই ক্ষেত্রেও আগে কিছু টিপস এবং পরামর্শমূলক পোস্ট করে নিজেকে সংক্রিষ্ট বিষয়ে এক্সপার্ট প্রমাণ করতে হয়। তারপর লিংক পোস্ট করলে সেটির গ্রহনযোগ্যতা থাকে।
মনে রাখবেন সকল ক্ষেত্রে, আপনার সকল অ্যাক্টিভিটিসে মার্কেটিং পোস্ট হবে ৩০% এবং এক্সপার্ট টিপস কিংবা পরামর্শমুলক পোস্ট হবে ৫০% এবং বাকি ২০% হবে ব্যক্তিগত বিষয়ক পোস্ট। এ সুত্র মনে রাখলে এসইওতে সফল হবেন, অ্যাফিলিয়েশনের প্রোডাক্ট বিক্রিতে সফল হবেন।

online mark

এসইও বিষয়ে উপরে তিনটি ধাপ সঠিকভাবে না শিখে অ্যাফিলিয়েশন শুরু করলে সফল হতে পারবেননা। ইনভেস্টটাই শুধু হবে।

এসইও যখন ভালভাবে জানবেন, তখন ইনকাম করতে পারবেন অনেকগুলো উপায়ে:

এসইও  মার্কেটপ্লেস থেকে ১০০-৫০০ডলার ইনকামের বিষয়না। এটা বিশাল বড় ক্যারিয়ার।

– মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজের মাধ্যমে

–  ব্লগিংয়ের মাধ্যমে

– অ্যাডসেন্স কিংবা অন্য কোন অ্যাড অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে

– অ্যাফিলিয়েশনের মাধ্যমে

– কোন লোকাল অনলাইন বেস ব্যবসা চালু করে

– ইকমার্স ব্যবসার মাধ্যমে

– সিপিএ মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে

–  লোকাল কোন প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করে

– কোন এসইও টিমের টীম মেম্বার হিসেবে কাজ করে।

এসইও শিখার জন্য প্রয়োজনীয় রিসোর্সকে সিলেবাস অনুযায়ি ধারাবাহিকভাবে তৈরি করেছি।

সেটি দেখেও শিখার চেষ্টা করতে পারেন: https://goo.gl/HTkq7E

তবে বিষয়গুলো অনেক বেশি প্রাকটিসের ব্যাপার। অভিজ্ঞ কারও সাথে থেকে প্রাকটিস করে দক্ষ হতে পারেন।

 

এসইও বিষয়ক কিংবা ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক যেকোন কিছু জানার জন্য আমার পেজে এসে প্রশ্ন করুন। পোস্টের কমেন্ট পরে লক্ষ্য করা হয়না।

Tahasin Chowdhury

I’m a digital strategist, and I believe that unique businesses deserve unique strategies to succeed online… and I love coming up with ideas to match your ambition.

Tahasin Chowdhury

Tahasin Chowdhury

I’m a digital strategist, and I believe that unique businesses deserve unique strategies to succeed online… and I love coming up with ideas to match your ambition.

2 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *